১.৫৬ ব্লু কাট বাইফোকাল ফ্ল্যাট টপ ফটোক্রোমিক গ্রে এইচএমসি অপটিক্যাল লেন্স
উৎপাদনের বিবরণ
| উৎপত্তিস্থল: | জিয়াংসু | ব্র্যান্ডের নাম: | বোরিস |
| মডেল নম্বর: | ফটোক্রোমিক লেন্স | লেন্সের উপাদান: | এসআর-৫৫ |
| দৃষ্টির প্রভাব: | বাইফোকাল | আবরণ ফিল্ম: | এইচসি/এইচএমসি/এসএইচএমসি |
| লেন্সের রঙ: | সাদা (অভ্যন্তরীণ) | আবরণের রঙ: | সবুজ/নীল |
| সূচক: | ১.৫৬ | আপেক্ষিক গুরুত্ব: | ১.২৮ |
| সার্টিফিকেশন: | সিই/আইএসও৯০০১ | অ্যাবে মান: | 35 |
| ব্যাস: | ৭০/২৮ মিমি | নকশা: | অ্যাসপেরিকাল |
বয়স্ক লোকেরা কোন ধরনের লেন্স বেছে নেন?
বয়স্ক ব্যক্তিরা ডায়োপ্টার নির্ধারণ করার পর বাইফোকাল লেন্স বেছে নিতে পারেন। এর সুবিধা হলো, একটি চশমা দিয়েই দূরের বা কাছের বস্তু দেখা যায়, যা দুটি চশমা বারবার পরা ও খোলার ঝামেলা কমায়। যদি পাওয়া যায়, তবে প্রগ্রেসিভ মাল্টিফোকাল লেন্সও বিবেচনা করা যেতে পারে। বাইফোকাল লেন্সের তুলনায় প্রগ্রেসিভ মাল্টিফোকাল লেন্সের নিম্নলিখিত সুবিধাগুলো রয়েছে: দূর থেকে কাছের বস্তু দেখার সময় দৃষ্টির কোনো বাধা হয় না এবং মধ্যবর্তী দূরত্বও স্পষ্ট দেখা যায়; দেখতে সুন্দর, কোনো দৃশ্যমান ফাঁক থাকে না; এবং ছবি লাফিয়ে ওঠে না।
ব্লু ব্লকিং লেন্স সাধারণ লেন্সের মতো একই রঙের হয় না: ব্লু ব্লকিং লেন্স হালকা নীল বা হলদেটে হয়, যেখানে সাধারণ লেন্স স্বচ্ছ এবং বর্ণহীন হয়।
উৎপাদন পরিচিতি
অ্যান্টি-ব্লু লাইট চশমা শনাক্ত করার পদ্ধতি
১. প্যাকেজিং দেখে নকল-প্রতিরোধ পরীক্ষা করুন: অ্যান্টি-ব্লু লাইট চশমার লেন্সের সাধারণ ব্র্যান্ডগুলোর প্যাকেজিং-এর উপর প্রাসঙ্গিক নকল-প্রতিরোধ কোড থাকে। ব্যবহারকারীরা সেই কোড অনুযায়ী পণ্যটি আসল কি না, তা যাচাই করে নিতে পারেন।
২. ফগ ডিসপ্লের নকল-রোধী কোড যাচাই করুন: লেন্সটির উপরেই একটি ফগ ডিসপ্লে নকল-রোধী কোড থাকে, যা লেন্সের উপর শ্বাস ফেললে দেখা যায় এবং লেন্স ব্র্যান্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে লগইন করে এর সত্যতা যাচাই করা যায়।
৩. ব্লু লাইট পেন দিয়ে আলো ফেলা: লেন্সটিকে আলোকিত করতে ব্লু লাইট পেন ব্যবহার করুন। যে লেন্সে ব্লু লাইট ব্লক করার সুবিধা নেই, সেটির ক্ষেত্রে নীল আলো মূলত লেন্স ভেদ করে চলে যায়, অন্যদিকে ব্লু লাইট ব্লকিং লেন্সের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ নীল আলোই লেন্স দ্বারা আটকে যায়।
পণ্য প্রক্রিয়া


