১.৫৬ এফএসভি ব্লু ব্লক এইচএমসি ব্লু কোটিং অপটিক্যাল লেন্স
অ্যান্টি-ব্লু লাইট লেন্স একটি নতুন পণ্য যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বাজারে বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে, তো সুরক্ষার জন্য এগুলো কী কাজে ব্যবহৃত হয়? মূলত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে এবং ইলেকট্রনিক স্ক্রিনের ব্যবহারও ক্রমশ বড় হচ্ছে, যার ফলে ব্লু লাইট হ্যাজার্ড বা নীল আলোর বিপদের কথা বলা হচ্ছে। ব্লু লাইট হ্যাজার্ড বলতে কম্পিউটার এবং স্মার্টফোনের মতো ডিভাইসের এলইডি স্ক্রিন থেকে নির্গত উচ্চ-শক্তির স্বল্প-তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল আলোকে বোঝায়। এই দৃশ্যমান আলোর উচ্চ শক্তি সরাসরি রেটিনায় পৌঁছাতে পারে, যা কেবল শরীরের জৈবিক ঘড়িকে ব্যাহত করে না, বরং চোখের ক্লান্তি, শুষ্কতা, কাঁধ ও ঘাড়ে ব্যথা ইত্যাদির মতো উপসর্গও সৃষ্টি করে, যা শরীরের উপর একটি বিশাল বোঝা চাপিয়ে দেয়। তাই, যারা দীর্ঘ সময় ধরে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক পণ্যের সম্মুখীন হন, তাদের চোখের আরাম ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে অ্যান্টি-ব্লু লাইট লেন্স পরা সহায়ক হতে পারে।
পণ্যের বিবরণ
অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে অ্যান্টি-ব্লু লাইট লেন্সটি প্রায় সমস্ত নীল আলো আটকে দেয়।
টেস্ট কার্ডটিতে অ্যান্টি-ব্লু লাইট প্রভাবটি স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
স্পেসিফিকেশন
| উৎপত্তিস্থল: | জিয়াংসু | ব্র্যান্ডের নাম: | বোরিস |
| মডেল নম্বর: | ব্লু ব্লক লেন্স | লেন্সের উপাদান: | এনকে-৫৫ |
| দৃষ্টির প্রভাব: | একক দৃষ্টি | আবরণ ফিল্ম: | এইচএমসি/এসএইচএমসি |
| লেন্সের রঙ: | সাদা | আবরণের রঙ: | সবুজ/নীল |
| সূচক: | ১.৫৬ | আপেক্ষিক গুরুত্ব: | ১.২৮ |
| সার্টিফিকেশন: | সিই/আইএসও৯০০১ | অ্যাবে মান: | 38 |
| ব্যাস: | ৭০/৬৫ মিমি | নকশা: | অ্যাসপেরিকাল |
পণ্য প্রক্রিয়া





